"> এসটিসি কো-অপারেটিভ ব্যাংক অবৈধভাবে সারাদেশে চালিয়ে যাচ্ছে অর্ধশতাধিক শাখা কার্যক্রম এসটিসি কো-অপারেটিভ ব্যাংক অবৈধভাবে সারাদেশে চালিয়ে যাচ্ছে অর্ধশতাধিক শাখা কার্যক্রম – Dailyajkersangbad

রবিবার, ০৯ অগাস্ট ২০২০, ০৩:০৫ পূর্বাহ্ন

এসটিসি কো-অপারেটিভ ব্যাংক অবৈধভাবে সারাদেশে চালিয়ে যাচ্ছে অর্ধশতাধিক শাখা কার্যক্রম

এসটিসি কো-অপারেটিভ ব্যাংক অবৈধভাবে সারাদেশে চালিয়ে যাচ্ছে অর্ধশতাধিক শাখা কার্যক্রম

সমবায় কর্তৃপক্ষের নির্দেশ উপেক্ষিত

আ: জলিল : সমবায় কর্তৃপক্ষের নির্দেশ উপেক্ষা করে অবৈধভাবে ব্যাংকিং কার্যক্রম পরিচালনা করছে দি স্মল ট্রেডার্স (এসটিসি) কো-অপারেটিভ ব্যাংক লি:। নারায়নগঞ্জের পাগলা বাজারস্থ কাজী খোরশেদ প্লাজায় সমিতির নিবন্ধিত ঠিকানা হলেও রাজধানী ঢাকা সহ দেশের প্রয় ৫০/৬০টি স্থানে অভৈধভাবে অফিস খুলে ব্যাংকিং কার্যক্রম চালালেও দেখার কেউ নেই। সংশ্লিষ্ট সমবায় দপ্তর থেকে শাখা কার্যালয় সমূহ বন্ধের ব্যবস্থা গ্রহনের জন্য স্থানীয় থানা পুলিশকে অনুরোধ জানালেও থানা কর্তৃপক্ষ নীরব ভূমিকা পালন করছেন বলেও অভিযোগ রয়েছে।

সংশ্লিষ্ট সুত্রমতে জানা যায়, এসটিসি কো-অপারেটিভ ব্যাংক লিমিটেড নারায়নগঞ্জ জেলা সমবায় কার্যালয় হতে নিবন্ধিত একটি প্রাথমিক সমবায় সমিতি। সমবায় সমিতি আইন ২০০১ (সংশোধন ২০০২ ও ২০১৩)এর ২৩ক (১) ধারা মোতাবেক কোন সমবায় সমিতি তাদের কার্যক্রম পরিচালনার জন্য কোন শাখা অফিস খুলতে পারবেনা। এরুপ বিধি নিষেধ থাকাসত্বেও প্রথমে তারা রাজধানী ঢাকার রমনা থানাধীন মৌচাক নিউ সার্কুলার রোডস্থ ৯৩, লিলি প্লাজা ৩য় তলায় অফিস খুলে কার্যক্রম পরিচালনা শুরু করে। যা বর্নিত আইনের ২৩ক(১) ধারার সুস্পস্ট লংঘন। এ আইনে অনধিক ৭ বছরের কারাদন্ড বা অনুন্য ১০ লাখ টাকা অর্থদন্ডের বিধান রয়েছে। রাজধানী ঢাকাতে ৫৫/এইচ এম শহীদ সিদ্দিক ম্যানশন, পুরানা পল্টনেও তাদের আরেকটি অফিস রয়েছে। শুধু তাই নয় পর্যায়ক্রমে তারা নড়াইল, বাগেরহাট, নীলফামারী, রংপুর, ঠাকুরগাঁও, নেত্রকোনা, কিশোরগঞ্জ, ময়মনসিংহ, রাজশাহী, নাটোর, নওগাঁ, চাঁপাইনবাবগঞ্জ, খুলনাসহ দেশের বিভিন্ন শহরে প্রায় ৫০/৬০টি শাখা খুলেছেন। এ সকল শাখায় প্রত্যাকটিতে অফিস রয়েছে। মাথাপিচু ৫/৭ লাখ টাকা ঘুষ নিয়ে নিয়োগ দেয়া হয়েছে অসংখ্য জনবল। উচ্চ শিক্ষিত অনেক তরুন তরুণী তাদেরকে ঐ পরিমান টাকা দিয়ে চাকুরী নিয়ে প্রতারিত হয়েছে। সম্প্রতি ঢাকা, রমনা মেট্টোপলিটন থানা সমবায় অফিসার স্বাক্ষরিত এক চিঠিতে ডিএমপির রমনা মডেল থানার ওসিকে ৯৩, লিলি প্লাজা, নিউ সার্কুলার রোড, মৌচাকস্থ কথিত প্রধান কার্যালয়টি বন্ধের জন্য আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহনের অনুরোধ জানালেও অদ্যাবধি তা কার্যকর হয়নি বলে তারা বহাল তবিয়তে অবৈধ অফিসটিতে বসে কার্যক্রম চালিয়ে কোটি কোটি টাকা অবৈধ উপার্জন অব্যাহত রেখেছেন।

সুত্রমতে ব্যাংটির সভাপতি মির্জা আতিকুর রহমান সাবেক স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী লুৎফুজ্জামান বাবরের এপিএস ছিলেন। তিনি ও তার ভাই মির্জা সোহাগ মামুন সহ খালিদ হাসান লিটুসহ ১২ সদস্যের কমিটি এ অবৈধ ব্যবসা পরিচালনা করেও রয়ে গেছেন ধরা ছোয়ার বাইরে। যা দেখার কেউ নেই।

দয়া করে নিউজটি শেয়ার করুন..

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০১৮
Desing & Developed BY ThemesBazar.Com