শুক্রবার, ০৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৩, ১২:১৫ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
টাংগাইল বন বিভাগের দোখলা সদর বন বীটে সুফল প্রকল্পে হরিলুট আগ্রাবাদ ফরেস্ট কলোনী বালিকা বিদ্যালয়ের ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি হলেন মোজাম্মেল হক শাহ চৌধুরী ফৌজদারহাট বিট কাম চেক স্টেশন এর নির্মানাধীন অফিসের চলমান কাজ পরিদর্শন নিজস্ব অর্থায়নে পদ্মা সেতু নির্মাণ করায় দেশের ভাবমূর্তি উজ্জ্বল হয়েছে: প্রধানমন্ত্রী আওয়ামী লীগ ২০৪১ সাল পর্যন্ত ক্ষমতায় থাকবে: শেখ সেলিম সুন্দরবন পূর্ব বন বিভাগের করমজল ইকোট্যুরিজম কেন্দ্র চলছে সীমাহীন অনিয়ম এলজিইডির কুমিল্লা জেলা প্রকল্পের পিডি শরীফ হোসেনের অনিয়ম যুবলীগে পদ পেতে উপঢৌকন দিতে হবে না: পরশ নির্বাচন যুদ্ধক্ষেত্র নয়, পেশি শক্তির মানসিকতা পরিহার করতে হবে: সিইসি যুদ্ধ না, আমরা শান্তি চাই : প্রধানমন্ত্রী

কিশোরগঞ্জে ভাঙ্গনে ৯ কোটি ১৩ লক্ষ টাকার সেতু

মো:রেজাউল করিম রঞ্জু, নীলফামারী প্রতিনিধি :
  • প্রকাশিত সময় : সোমবার, ১৯ এপ্রিল, ২০২১
  • ২৪৬ পাঠক পড়েছে

নীলফামারীর কিশোরগঞ্জ উপজেলার নিতাই মুশরুত পানিয়াল পুকুর বেলতলীর ঘাট চাড়ালকাটা নদীর উপর নির্মিত বীর মুক্তিযোদ্ধা তাজুল ইসলাম সেতুর সংযোগ সড়কের বাম তীর ধ্বসে গিয়ে ভয়াবহ ভাঙ্গনে হুমকির মুখে পড়েছে।

ভাঙ্গনের কবলে ঝুঁকিপূর্ণ সেতুটি যে কোন সময় নদীগর্ভে বিলিন হওয়ার আশংকা রয়েছে বলে জানান এলাকাবাসী।

উপজেলা এলজিইডি সুত্র জানায়, ২০১৪-২০১৫ অর্থবছরে ৯ কোটি ১৩ লাখ ৫৩ হাজার ১৪০ টাকা ব্যয়ে ১৪০ মিটার সেতু নির্মান করা হয়। কিন্তু দীর্ঘ এক বছরেও ওই সেতুটির সংযোগ সড়কের ধ্বসে যাওয়ার বাঁধ অদ্যাবধি মেরামতের কোন উদ্যোগ নেয়নি সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ।

সরেজমিনে দেখা গেছে, গত বছর বর্ষা মৌসুমে প্রবল বন্যার ঘুর্ণায়মান তীব্র ¯্রােতের তোড়ে সেতুর দক্ষিণ-পশ্চিম বাম তীর পিলারের গোড়া থেকে সংযোগ সড়কের বাঁধ রক্ষা ব্লক ও মাটি নদী গর্ভে ধ্বসে গিয়ে গভীর খাদের সৃষ্টি হয়েছে। ফলে ঝুঁকিপূর্ণ ভাবে ভারি যানবাহন চলাচল করায় যে কোন সময় বড় ধরনের দুর্ঘটনা ঘটতে পারে।

নিতাই ইউপি চেয়ারম্যান ফারুকুজ্জামান ফারুক বলেন, সৈয়দপুর পানি উন্নয়ন বোর্ডের অধীনে গত বছর চাড়াল কাটা নদী পুর্ণ খনন করা হয়। ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান অপরিকল্পিতভাবে নদী খননের ফলে সরাসরি নদীর ঘূর্ণায়নমান ¯্রােত সেতুর মূল ফটকে আঘাত হানায় সেতুসহ সংযোগ সড়কের ২০/৩০মিটার বাঁধ নদীতে ধ্বসে গিয়ে হুমকির মূখে পড়েছে। তিনি আরও জানান, সড়কটি ভাঙ্গন রোধে এখনই কার্যকরী ব্যবস্থা না নিলে সেতুটি অচিরেই নদীতে ভেঙ্গে পড়বে। সেতুটি ভেঙ্গে গেলে সরকারের কোটি কোটি টাকা ভেস্তে যাওয়াসহ অর্থনৈতিক উন্নয়ন ও উপজেলার সাথে নিতাই ইউপি’র কয়েক হাজার মানুষের যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়বে।

ওই এলাকার বাসিন্দা আানোয়র হোসেন, রেদোওয়ান, শহিদুল ইসলাম, ইউপি চেয়ারম্যান ফারুকুজ্জামান ফারুক জানান, গত বছর তীব্র ভাঙ্গন দেখা দিলে উপজেলা এলজিইডি,সৈয়দপুর পানি উন্নয়ন বোর্ড ভাঙ্গন রোধে জিওব্যাগ,রশি ধরে টানা টানি করে কিছুটা ভাঙ্গন রোধ করলেও পরবর্তীতে মেরামতে কোন উদ্যোগ নেওয়া হয়নি। বর্ষার আগে সেতুটির সংযোগ সড়ক মেরামতের জন্য সরকারের কাছে দাবি জানাচ্ছি।

এ বিষয়ে এলজিইডি প্রকৌশলী সুজন কুমার রায়ের সাথে মোবাইল ফোনে কথা হলে তিনি বলেন, আমার নলেজে আছে, শুনেছি, তবে রাস্তা ভেঙ্গে গেলে কেনো ব্রীজ ভেঙ্গে যাবে? এগুলো কি উল্টো পাল্টা কথা বলেন। ব্রীজটি হুমকীর মুখে শুনেও, তিনি এভাবে দায়সারা আলাপ করেন। তিনি কোন মেরামতের আশ্বাস না দিয়েই ফোন কেটে দেন।

 

নিউজটি শেয়ার করে আমাদের সাথে থাকার জন্য ধন্যবাদ

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটাগরীর আরো খবর
© All rights reserved © 2019-2020 । দৈনিক আজকের সংবাদ
Design and Developed by ThemesBazar.Com
SheraWeb.Com_2580