বুধবার, ০৬ জুলাই ২০২২, ০১:৩৯ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
আগ্রাবাদ ফরেস্ট কলোনী বালিকা বিদ্যালয়ের ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি হলেন মোজাম্মেল হক শাহ চৌধুরী ফৌজদারহাট বিট কাম চেক স্টেশন এর নির্মানাধীন অফিসের চলমান কাজ পরিদর্শন নিজস্ব অর্থায়নে পদ্মা সেতু নির্মাণ করায় দেশের ভাবমূর্তি উজ্জ্বল হয়েছে: প্রধানমন্ত্রী আওয়ামী লীগ ২০৪১ সাল পর্যন্ত ক্ষমতায় থাকবে: শেখ সেলিম সুন্দরবন পূর্ব বন বিভাগের করমজল ইকোট্যুরিজম কেন্দ্র চলছে সীমাহীন অনিয়ম এলজিইডির কুমিল্লা জেলা প্রকল্পের পিডি শরীফ হোসেনের অনিয়ম যুবলীগে পদ পেতে উপঢৌকন দিতে হবে না: পরশ নির্বাচন যুদ্ধক্ষেত্র নয়, পেশি শক্তির মানসিকতা পরিহার করতে হবে: সিইসি যুদ্ধ না, আমরা শান্তি চাই : প্রধানমন্ত্রী নেপালে ২২ আরোহী নিয়ে উড়োজাহাজ নিখোঁজ

কুমিল্লায় ৩২ বছরপর অস্ত্র ও চুরির মামলায় সাজাপ্রাপ্ত আসামী গ্রেপ্তার

নিউজ ডেক্স:
  • প্রকাশিত সময় : বুধবার, ১৮ নভেম্বর, ২০২০
  • ৩০৮ পাঠক পড়েছে
বিএম মহসিন, কুমিল্লা প্রতিনিধি : কুমিল্লার বরুড়ার থানায় ৩২ বছর পালাতক থাকার পর অস্ত্র ও চুরি দুটি মামলায় ১০ বছর ৬ মাসের সাজা প্রাপ্ত ফেরারী আসামী গ্রেপ্তার করেছে বরুড়া থানার পুলিশ। মোস্তফা কামাল বরুড়া পয়ালগাছা গ্রামের আব্দুল গফুরের পুত্র তাকে গ্রেপ্তার করতে দীর্ঘদিন চেষ্টার পর গত রবিবার রাতে বরুড়া উপজেলার সোনাইমুড়ি বাজারের দক্ষিণ পাশে রাস্তা থেকে এসআই মেহেদী হাসান সঙ্গীয় ফোর্স সহ মোঃ মোস্তফা কামালকে গ্রেপ্তার করতে সক্ষম হন।
থানা সূত্রে জানা যায় মোস্তফা কামালের বিরুদ্ধে ১৯৯৫ সালে ২২শে জুন কুমিল্লার কোতয়ালী থানায় অস্ত্র আইনে মামলা হয়। মামলা নাম্বার ৫০,তাং- ২২/০৬/১৯৯৫, জিআর ২৯০/৯৫।। ঐ মামলায় মোস্তফা কামাল গুরুপ্তপূর্ন আসামী ছিল কিন্তু বিজ্ঞ আদালতে হাজির না হওয়ায়  পালাতক থাকায় ১৯৯৯ সালে বিজ্ঞ আদালত তার বিরুদ্ধে ১০ বছরের সাজা প্রদান করে। গত ২১ বছর যাবত বরুড়া থানায় সাজা প্রাপ্ত মোস্তফা কামালকে গ্রেপ্তার করতে বিভিন্ন জায়গায় অভিযান চালিয়ে তাকে গেপ্তার করা সম্ভব হয় নি।  অস্ত্র মামলা ছাড়াও মোস্তফা কামালের বিরুদ্ধে ১৯৮৭ সালে চোরাই মাল সংরক্ষণের দায়ে আরো একটি মামলা হয় ঐ মামলায় ১৯৮৮ সালে বিজ্ঞ আদালত ৬ মাসের সাজা প্রদান করেন।
দীর্ঘ ৩২ বছর পর বরুড়া থানার চৌকুস পুলিশ অফিসার এসআই মেহেদী হাসান মোস্তফা কামালকে গ্রেপ্তার করে জেল হাজতে প্রেরন করেন। এ বিষয়ে বরুড়া থানার অফিসার ইনচার্জ মোঃ ইকবাল বাহার মজুমদার বলেন গুরুপ্তপূর্ণ দুইটি সাজা ওয়ারেন্ট তামিল করতে আমার অফিসার বিভিন্ন কৌশল অবলম্বন করে। প্রায় তিন যুগ পর সাজা ওয়ারেন্ট তামিল করতে সক্ষম হয়েছে আমরা সাধারণ জনগনের জানমালের নিরাপওা দিতে সকল সময় বদ্ধপরিকর। বরুড়ার সাধরণ জনগন পুলিশের পাশাপাশি  জনসার্থে এগিয়ে আসলে বরুড়া উপজেলার মানুষ শান্তিতে নিরাপদে বসবাস করতে বরুড়া থানা পুলিশের ঐকান্তিক প্রচেষ্টা সকল সময় অব্যাহত আছে।

নিউজটি শেয়ার করে আমাদের সাথে থাকার জন্য ধন্যবাদ

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটাগরীর আরো খবর
© All rights reserved © 2019-2020 । দৈনিক আজকের সংবাদ
Design and Developed by ThemesBazar.Com
SheraWeb.Com_2580