শুক্রবার, ০৯ ডিসেম্বর ২০২২, ০৯:৪৫ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
টাংগাইল বন বিভাগের দোখলা সদর বন বীটে সুফল প্রকল্পে হরিলুট আগ্রাবাদ ফরেস্ট কলোনী বালিকা বিদ্যালয়ের ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি হলেন মোজাম্মেল হক শাহ চৌধুরী ফৌজদারহাট বিট কাম চেক স্টেশন এর নির্মানাধীন অফিসের চলমান কাজ পরিদর্শন নিজস্ব অর্থায়নে পদ্মা সেতু নির্মাণ করায় দেশের ভাবমূর্তি উজ্জ্বল হয়েছে: প্রধানমন্ত্রী আওয়ামী লীগ ২০৪১ সাল পর্যন্ত ক্ষমতায় থাকবে: শেখ সেলিম সুন্দরবন পূর্ব বন বিভাগের করমজল ইকোট্যুরিজম কেন্দ্র চলছে সীমাহীন অনিয়ম এলজিইডির কুমিল্লা জেলা প্রকল্পের পিডি শরীফ হোসেনের অনিয়ম যুবলীগে পদ পেতে উপঢৌকন দিতে হবে না: পরশ নির্বাচন যুদ্ধক্ষেত্র নয়, পেশি শক্তির মানসিকতা পরিহার করতে হবে: সিইসি যুদ্ধ না, আমরা শান্তি চাই : প্রধানমন্ত্রী

বলৎকার করতে গিয়ে গণধোলাই খেলেন আনসার কমান্ডার

বরগুনা প্রতিনিধি
  • প্রকাশিত সময় : শুক্রবার, ১০ ডিসেম্বর, ২০২১
  • ৯৪ পাঠক পড়েছে

বরগুনার তালতলীতে বলাৎকার করতে গিয়ে গণধোলাই খেয়েছেন এক আনসার কমান্ডার। সেই গণধোলাইর একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে।

ভিডিওতে দেখা গেছে, কয়েকজন যুবক তাকে ধরে গণধোলাই দিচ্ছে আর কুদ্দুস তাদের পায়ে পড়ছেন।

কড়ইবাড়িয়া ইউনিয়নের আলীর বন্দর গ্রামের মৃত মোতাহার মিয়ার ছেলে মো. কুদ্দুস ওরফে কুদ্দুস কমান্ডার ও জ্বীন কুদ্দুস নামে পরিচিত। তিনি একই ইউনিয়নের আনসার ভিডিপির কমান্ডার হিসেবে কর্মরত আছেন।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, ছাত্র ও যুবকদের বলাৎকারের এক ভয়াণক নেশা তার। এই বিকৃত নেশায় এমনই আচ্ছন্ন ছিল প্রতিনিয়ত বিভিন্ন কৌশলে তিনি শিশু থেকে যুবকদের বলৎকার করতেন। বিদেশগামী এক যুবককে হরমোন টেস্টের কথা বলে বলৎকার করতে গিয়ে জনতার গণধোলাইর শিকার হন। আর ওই গণধোলাইয়ের একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে।

এর কিছুদিন আগেও এক সুইপার যুবককে বলৎকার করে আহত করেন। আর চাকরি দেওয়ার কথা বলে প্রায় কয়েক লক্ষ টাকা আত্মসাৎ করেছেন।

অভিযুক্ত মো. কুদ্দুস মিয়া জানান, এলাকার মাদকসেবী ও মাদক বিক্রেতাদের আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর হাতে ধরিয়ে দেওয়ার কারণে তারা আমাকে নিয়ে ষড়যন্ত্র করছে। আর ছোটবেলায় আমার ওপর জ্বিনের আছর ছিল। তাই অনেক জ্বিন কুদ্দুস বলে। আর চাকরি দেওয়ার নাম করে কারো কাছ থেকে কোন টাকা নেইনি। তবে আমার এক শিক্ষক আমার কাছে টাকা পেতেন। তিনি মামলাও করেছিলেন। তার টাকা দিয়ে দিয়েছি। বলাৎকারের ভিডিওর বিষয় জানতে চাইলে তিনি বলেন, আমাকে মোবাইল ফোনে ডেকে নিয়ে মাদক ব্যবসায়ীরা মারধর করে ওই ভিডিও করেছে।

উপজেলা আনসার ও ভিডিপি কর্মকর্তা মো. আবদার মোল্লা বলেন, আমাদের কাছে কুদ্দুস মিয়ার নামে অনেক অভিযোগ আসছে। আর আমিও ভিডিও পেয়েছি। এ বিষয় ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে মৌখিক ভাবে জানানো হয়েছে। তদন্ত কমিটি গঠন করে পরবর্তী ব্যাবস্থ্যা গ্রহণ করা হবে।

তালতলী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মোঃ শাখাওয়াৎ হোসেন তপু বলেন, আমরা এ বিষয়ে কোন অভিযোগ পাইনি। অভিযোগ পেলে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

নিউজটি শেয়ার করে আমাদের সাথে থাকার জন্য ধন্যবাদ

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটাগরীর আরো খবর
© All rights reserved © 2019-2020 । দৈনিক আজকের সংবাদ
Design and Developed by ThemesBazar.Com
SheraWeb.Com_2580