বুধবার, ১৮ মে ২০২২, ১০:০৫ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
গাছ চোরদের রক্ষক যখন ডিএফও, এসিএফ পিডি কাজী মিজানের বিরুদ্ধে প্রকল্প’র কেনাকাটায় অনিয়মের অভিযোগ কারসাজিতে ভরা মৌসুমেও চালের দাম বৃদ্ধি পাচ্ছে: মির্জা ফখরুল ন্যায়বিচারে প্রবেশাধিকার নিশ্চিত করা সরকারের অন্যতম লক্ষ্য : আইনমন্ত্রী সমালোচকদের সংযতভাবে কথা বলার পরামর্শ প্রধানমন্ত্রীর ডলারের দামে সেঞ্চুরি, বিক্রি হচ্ছে ১০২ টাকায় যানজট নিরসনে রাত ৮টায় দোকান বন্ধের আহ্বান মেয়র তাপসের এসডিজি অর্জনে উদ্ভাবনী কর্মপরিকল্পনা প্রণয়ন করতে হবে: প্রধানমন্ত্রী ন্যাটোয় যোগদানের পক্ষে সিদ্ধান্ত নিল সুইডেনও কক্সবাজার উত্তর বন বিভাগের এসিএফ প্রান্তোষ রায়’র বিরুদ্ধে থানায় জিডি

ভারত আমাদের দুঃসময়ে পাশে ছিল: এলজিআরডি মন্ত্রী

মেহেরপুর প্রতিনিধি
  • প্রকাশিত সময় : শনিবার, ২০ মার্চ, ২০২১
  • ১০৫ পাঠক পড়েছে

স্থানীয় সরকার পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী মো. তাজুল ইসলাম বলেছেন, স্বাধীনতা যুদ্ধে ভারত আমাদের অভূতপূর্ব সহযোগিতা করেছে। এদেশের এক কোটি মানুষকে আশ্রয় দিয়েছে। ভারত আমাদের দুঃসময়ে পাশে ছিল, তাই আমরা তাদের প্রতি কৃতজ্ঞ। শনিবার দুপুরে মেহেরপুরের ঐতিহাসিক মুজিবনগর-কলকাতা স্বাধীনতা সড়ক পরিদর্শনকালে তিনি এসব কথা বলেন।

তাজুল ইসলাম বলেন, পাকিস্তানিদের অত্যাচার থেকে দেশকে রক্ষা ও বিশ্ব জনমত সৃষ্টির জন্য ১৯৭১ সালে এই পথ ধরেই তৎকালীন জাতীয় চার নেতা, বিদেশি সাংবাদিকসহ অন্যরা ভারত থেকে মুজিবনগর এসেছিলেন। যে কারণে, বাঙালি জাতির কাছে এই রাস্তাটির গুরুত্ব অপরিসীম।

বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি আগামী ২৬ অথবা ২৭ মার্চ ঐতিহাসিক মুজিবনগরের স্বাধীনতা সড়ক (মুজিবনগর-কলকাতা) উদ্বোধন করবেন বলে জানান মন্ত্রী।

তিনি বলেন, দু’দেশের মধ্যে এই সড়ক স্থাপনের চুক্তি অনুযায়ী আমরা আমাদের অংশের নির্মাণ কাজ সম্পন্ন করেছি। ভারতের অংশের কাজ করবে ভারতীয় কর্তৃপক্ষ।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন- জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন, এলজিইডি’র প্রধান প্রকৌশলী আব্দুর রশিদ খান, জেলা প্রশাসক ড. মুহাম্মদ মুনসুর আলম খান, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার জামিরুল ইসলাম, মেহেরপুর জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এম এ খালেক।

উল্লেখ্য, ১৯৭১ সালের ১৭ এপ্রিল বাংলাদেশের প্রথম সরকারের মন্ত্রিপরিষদের সদস্যরা বৈদ্যনাথতলায় মুজিবনগর আম্রকাননে শপথ গ্রহণ করেন। মুজিবনগর সরকারের নেতৃত্বে বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধ পরিচালিত হয়। জাতীয় চার নেতাসহ অন্য নেতারা, দেশি-বিদেশি সাংবাদিক ভারত থেকে এই সড়ক দিয়ে মুজিবনগরে প্রবেশ করেছিলেন। বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাসের সঙ্গে সড়কটির নাম জড়িয়ে থাকায় তা সংরক্ষণের উদ্যোগ নেয় বর্তমান সরকার।

 

 

নিউজটি শেয়ার করে আমাদের সাথে থাকার জন্য ধন্যবাদ

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটাগরীর আরো খবর
© All rights reserved © 2019-2020 । দৈনিক আজকের সংবাদ
Design and Developed by ThemesBazar.Com
SheraWeb.Com_2580