রবিবার, ০২ অক্টোবর ২০২২, ০৯:৩২ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
টাংগাইল বন বিভাগের দোখলা সদর বন বীটে সুফল প্রকল্পে হরিলুট আগ্রাবাদ ফরেস্ট কলোনী বালিকা বিদ্যালয়ের ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি হলেন মোজাম্মেল হক শাহ চৌধুরী ফৌজদারহাট বিট কাম চেক স্টেশন এর নির্মানাধীন অফিসের চলমান কাজ পরিদর্শন নিজস্ব অর্থায়নে পদ্মা সেতু নির্মাণ করায় দেশের ভাবমূর্তি উজ্জ্বল হয়েছে: প্রধানমন্ত্রী আওয়ামী লীগ ২০৪১ সাল পর্যন্ত ক্ষমতায় থাকবে: শেখ সেলিম সুন্দরবন পূর্ব বন বিভাগের করমজল ইকোট্যুরিজম কেন্দ্র চলছে সীমাহীন অনিয়ম এলজিইডির কুমিল্লা জেলা প্রকল্পের পিডি শরীফ হোসেনের অনিয়ম যুবলীগে পদ পেতে উপঢৌকন দিতে হবে না: পরশ নির্বাচন যুদ্ধক্ষেত্র নয়, পেশি শক্তির মানসিকতা পরিহার করতে হবে: সিইসি যুদ্ধ না, আমরা শান্তি চাই : প্রধানমন্ত্রী

যেকোনো বয়সে হৃদরোগ এড়াতে

লাইফস্টাইল ডেস্ক
  • প্রকাশিত সময় : রবিবার, ১২ ডিসেম্বর, ২০২১
  • ১২৮ পাঠক পড়েছে

আমাদের মানবদেহের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ অংশ হচ্ছে হার্ট বা হৃদযন্ত্র। শরীর সুস্থ রাখতে হলে সবার আগে সুস্থ রাখতে হবে এই হৃদযন্ত্রকে।

প্রতিবছর যে পরিমাণ মানুষের মৃত্যু হয়, এর বড় একটি অংশ হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে (হার্ট অ্যাটাক) মারা যায়।

আর এটি হতে পারে যে কোনো বয়সেই।

হার্টের রোগের পরিণতি হতে পারে আমাদের জীবনের সমাপ্তি বা মৃত্যু, এজন্য আমাদের সচেতন হতে হবে হৃদযন্ত্রকে সুস্থ রাখতে।

আমাদের মনে হৃদযন্ত্র সম্পর্কে অনেক প্রশ্ন উঠে আসে, আমরা এই প্রশ্নগুলোর উত্তর খুঁজেছি হৃদরোগ বিশেষজ্ঞদের কাছে।

ঢাকার বারডেম হাসপাতালের কার্ডিওলোজি বিভাগের সহযোগী আধ্যাপক এবং বিভাগীয় প্রধান ডা. মো. আজিজুল বারী হৃদযন্ত্রের রোগ হওয়ার জন্য ধুমপানকে প্রথম কারণ হিসেবে উল্লেখ করেন। তিনি বলেন, ধুমপায়ীরা সব থেকে বেশি হৃদরোগের ঝুঁকিতে থাকে।

এছাড়াও ডায়াবেটিস, উচ্চ রক্তচাপ এবং বাড়তি ওজনের জন্য হৃদরোগ হতে পারে। হাইপার টেনশন এবং পারিবারিক জেনেটিক অসুস্থতার ফলেও হৃদরোগ দেখা দিতে পারে।

একবার হৃদরোগ হয়ে গেলে এর চিকিৎসা দীর্ঘমেয়াদি এবং ব্যয় বহুল। আর তাই আগেই প্রতিকার মূলক ব্যবস্থা নিলে রোগে আক্রান্ত হওয়া থেকে অনেকটাই মুক্তি পাওয়া যায়।

এ সম্পর্কে ডা. মো. আজিজুল বারী বলেন, ধুমপান সম্পূর্ণ বন্ধ করা, অ্যালকোহলসহ সব ধরনের মাদক থেকে বিরত থাকা।

তিনি বলেন, ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে রাখতে পরিমিত খাবার খেতে হবে এবং নিয়মিত হাটতে হবে। উচ্চ রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে রাখতে নিয়মিত ডাক্তার দিয়ে চেকআপ করাতে হবে। বয়স এবং উচ্চতা অনুযায়ী ওজন নিয়ন্ত্রণ করতে হবে। কেননা, স্থুল শরীর হৃদরোগের ঝুঁকি বাড়ায়। টেনশন মুক্ত থাকতে হবে।

যদি হৃদরোগ হয়েই যায় তখন আমরা কী করতে পারি, এই বিষয়ে বললেন, হৃদরোগ বিশেষজ্ঞ রহমত উল্লাহ। তিনি বলেন, আমাদের হৃদযন্ত্রের তিনটি রক্তনালীতে চর্বি জমে ব্লক তৈরি করে। ব্লকের পরিমাণ কম হলে সাধারণ চিকিৎসার মাধ্যমেই হৃদরোগ সারানো সম্ভব। তবে ব্লকের পরিমাণ বেশি হলে এনজিওগ্রাম পরীক্ষার মাধ্যমে দেখা হয় কতো শতাংশ ব্লক হয়েছে।

সঠিক ডায়াগনোসিসের পর একটি রক্তনালীতে ব্লক পাওয়া গেলে এনজিওপ্লাস্টি করে রিং পরানো হয়। এই চিকিৎসার পর ডাক্তারের পরামর্শ মেনে চললে রোগী অনেক দিন সুস্থভাবে বেঁচে থাকতে পারেন। এই চিকিৎসার খরচ একলাখ টাকার মধ্যেই করা সম্ভব।

তিনটি রক্তনালীতেই ব্লক হয়ে গেলে সেক্ষেত্রে বাইপাস সার্জারি করতে হয়। এই চিকিৎসা কিছুটা ব্যয় বহুল। দুই-তিন লাখ টাকার প্রয়োজন হতে পারে।

ডা. রহমত বলেন, তবে আশার কথা হচ্ছে, হৃদরোগের সফল চিকিৎসা দেশেই সম্ভব। তিনি আরও জানান, প্রাইভেট হাসপাতালের তুলনায় সরকারি হাসপাতালগুলোতে চিকিৎসা ব্যয় কিছুটা কম।

বাসায় বা কর্মক্ষেত্রে কেউ হৃদরোগে আক্রান্ত হলে, সময় নষ্ট না করে যত দ্রুত সম্ভব হৃদরোগ সেন্টারে নিয়ে যাওয়ার পরামর্শ দেন বিশেষজ্ঞরা।

নিয়মতান্ত্রিক জীবন যাপন আর কিছু সাবধানতা মেনে চললে আমরা হৃদযন্ত্র সুস্থ রাখতে পারি।

নিউজটি শেয়ার করে আমাদের সাথে থাকার জন্য ধন্যবাদ

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটাগরীর আরো খবর
© All rights reserved © 2019-2020 । দৈনিক আজকের সংবাদ
Design and Developed by ThemesBazar.Com
SheraWeb.Com_2580