শুক্রবার, ১২ অগাস্ট ২০২২, ০৫:৪৮ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
টাংগাইল বন বিভাগের দোখলা সদর বন বীটে সুফল প্রকল্পে হরিলুট আগ্রাবাদ ফরেস্ট কলোনী বালিকা বিদ্যালয়ের ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি হলেন মোজাম্মেল হক শাহ চৌধুরী ফৌজদারহাট বিট কাম চেক স্টেশন এর নির্মানাধীন অফিসের চলমান কাজ পরিদর্শন নিজস্ব অর্থায়নে পদ্মা সেতু নির্মাণ করায় দেশের ভাবমূর্তি উজ্জ্বল হয়েছে: প্রধানমন্ত্রী আওয়ামী লীগ ২০৪১ সাল পর্যন্ত ক্ষমতায় থাকবে: শেখ সেলিম সুন্দরবন পূর্ব বন বিভাগের করমজল ইকোট্যুরিজম কেন্দ্র চলছে সীমাহীন অনিয়ম এলজিইডির কুমিল্লা জেলা প্রকল্পের পিডি শরীফ হোসেনের অনিয়ম যুবলীগে পদ পেতে উপঢৌকন দিতে হবে না: পরশ নির্বাচন যুদ্ধক্ষেত্র নয়, পেশি শক্তির মানসিকতা পরিহার করতে হবে: সিইসি যুদ্ধ না, আমরা শান্তি চাই : প্রধানমন্ত্রী

স্বপ্নের সোনার বাংলা গড়তে প্রকৌশলীদের বেশি অবদান রাখতে হবে: নসরুল হামিদ

নিজস্ব প্রতিবেদক
  • প্রকাশিত সময় : রবিবার, ২২ আগস্ট, ২০২১
  • ৬৭ পাঠক পড়েছে

বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদ বলেছেন, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের স্বপ্নের সোনার বাংলা গড়তে প্রকৌশলীদের সবচেয়ে বেশি অবদান রাখতে হবে।

তিনি বলেন, স্বাধীনতার পর পরই জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু প্রকৌশলীদের দেশ গড়ার কাজে আত্মনিয়োগ করতে উদ্বুদ্ধ করেছিলেন। তিনি সেই সময় দেশ-বিদেশে প্রকৌশলীদের প্রশিক্ষণের ব্যবস্থাও করেছিলেন।

জাতীয় শোক দিবস উপলক্ষে রোববার বঙ্গবন্ধু প্রকৌশল পরিষদ ও বাংলাদেশ বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ড শাখার উদ্যোগে আয়োজিত আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে প্রতিমন্ত্রী এ কথা বলেন।

নসরুল হামিদ বলেন, জাতির পিতার হাত ধরেই যুদ্ধ বিধ্বস্ত দেশকে আলোকিত ও শিল্পায়িত করার দায়িত্ব নিয়ে বিদ্যুৎ উৎপাদন, সঞ্চালন ও বিতরণের সমন্বিত সংস্থা হিসেবে মাত্র ৫০০ মেগাওয়াট উৎপাদন ক্ষমতাসহ যাত্রা শুরু করে বাংলাদেশ বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ড। মাত্র ৫০০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ নিয়ে জাতির পিতার শুরু করে দেওয়া বিদ্যুৎ খাত বর্তমানে তারই কন্যার হাতে ২৫ হাজার ২৩৫ মেগাওয়াট উৎপাদন সক্ষমতায় এসে দাঁড়িয়েছে।

তিনি আরো বলেন, এ দেশ গড়ার জন্য জাতির পিতা মাত্র সাড়ে তিন বছর সময় পেয়েছিলেন। এত কম সময়ের মধ্যেই তিনি আমাদের জন্য যা করে দিয়েছেন তার তুলনা পৃথিবীর ইতিহাসে দ্বিতীয়টি আর খুঁজে পাওয়া যাবে না।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, জাতির পিতা সদ্য স্বাধীন দেশে ১৯৭২ সাল থেকে ৭৫ সাল পর্যন্ত সময়ের মধ্যেই আশুগঞ্জ, ঘোড়াশাল ও সিদ্ধিরগঞ্জকে বাংলাদেশের পাওয়ার হাব হিসেবে গড়ে তুলেছেন। পিতার মত বঙ্গবন্ধুকন্যাও অসম্ভব দেশপ্রেম ও সাহসিকতায় বাংলাদেশকে এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছেন।

তিনি আরো বলেন, দেশের সবচেয়ে অগ্রসরমান খাতই হলো বিদ্যুৎ খাত। ২০০৮ সালের আগে ভঙ্গুর বিদ্যুৎ উৎপাদন ব্যবস্থাকে বর্তমানের অবস্থায় নিয়ে আসতে প্রকৌশলীদের অবদান অনস্বীকার্য।

ভার্চুয়াল সভায় মূখ্য আলোচক হিসেবে সংযুক্ত থেকে বক্তব্য রাখেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক উপাচার্য বিশিষ্ট শিক্ষাবিদ অধ্যাপক আ আ ম স আরেফিন সিদ্দিক।

বঙ্গবন্ধু প্রকৌশল পরিষদ, বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ড শাখার সভাপতি আশুতোষ রায়ের সভাপতিত্বে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন আইইবির সাবেক সভাপতি ও বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি সম্পাদক প্রকৌশলী আব্দুস সবুর, বাংলাদেশ বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ডের চেয়ারম্যান প্রকৌশলী বেলায়েত হোসেন, বঙ্গবন্ধু প্রকৌশল পরিষদের সভাপতি অধ্যাপক ড. হাবিবুর রহমান ও পাওয়ার সেলের মহাপরিচালক প্রকৌশলী মোহাম্মদ হোসাইন।

 

 

নিউজটি শেয়ার করে আমাদের সাথে থাকার জন্য ধন্যবাদ

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটাগরীর আরো খবর
© All rights reserved © 2019-2020 । দৈনিক আজকের সংবাদ
Design and Developed by ThemesBazar.Com
SheraWeb.Com_2580